
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানাসহ ছয়জন ভোট দেননি। ভোট না দেওয়া অন্যরা হলেন বিএনপির মির্জা আব্বাস, মোস্তফা কামাল পাশা ও ওসমান ফারুক, খেলাফত মজলিসের আবুল হাসান এবং জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য। এর মধ্যে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট। ছয়জন ভোটদানে বিরত থাকেন।
ভোট না দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে রুমিন ফারহানা বলেন, তাঁর কাছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অর্থহীন ও প্রহসনের মনে হয়েছে। কারণ, ফলাফল আগে থেকেই নিশ্চিত ছিল। তাঁর মতে, অনিশ্চয়তা না থাকলে সেটিকে নির্বাচন বলা যায় না।
তিনি আরও বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর একজন অরাজনৈতিক ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে মনোনীত করার সুযোগ ছিল। কিন্তু তা করা হয়নি।
রুমিন ফারহানা আরও অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে বিএনপির পক্ষ থেকে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের কথা বলা হয়েছে। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দিলে সংসদ সদস্য পদ হারানোর আশঙ্কা থাকায় তিনি এমন নির্বাচনে ভোট দিতে চাননি।
অন্যদিকে, মির্জা আব্বাস ও মোস্তফা কামাল পাশা বিদেশে চিকিৎসাধীন থাকায় ভোট দিতে পারেননি। বিএনপির ওসমান ফারুক ও খেলাফত মজলিসের আবুল হাসানও ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হননি। আবুল হাসান বিদেশে অবস্থান করছেন বলে দলটির মহাসচিব জানিয়েছেন। জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকেও ভোট দিতে দেখা যায়নি।
এদিকে ইসলামী আন্দোলনের একমাত্র সংসদ সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ ভোটদানে বিরত থাকবেন বলে দলের পক্ষ থেকে জানানো হলেও পরে তিনি ভোট দিয়েছেন বলে জানা গেছে।