
ম্যাকাইয়ে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনটি ছিল বোলারদের দাপটে ভরা। মিচেল স্টার্কের ৬ উইকেটের জবাবে বাংলাদেশের শরীফুল ইসলামও নিয়েছেন ৬ উইকেট। দিন শেষে ৮ উইকেটে ১৬৫ রান করে ১০১ রানে এগিয়ে আছে অস্ট্রেলিয়া।
শনিবার টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে স্টার্কের বোলিং তাণ্ডবে মাত্র ৩৪ ওভারে ৬৪ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। ম্যাচের প্রথম বলেই সাদমান ইসলামকে ফিরিয়ে শুরু করেন স্টার্ক। এরপর তানজিদ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুমিনুল হক ও লিটন দাসকে ফিরিয়ে মাত্র ২২ বলেই পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন তিনি। একপর্যায়ে ১২ রানেই ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ১৪ রান করেন শরীফুল ইসলাম। শেষ পাঁচ ব্যাটার মিলে ৪৭ রান যোগ করায় দলীয় সংগ্রহ ৬৪ রানে পৌঁছায়। স্টার্ক ৬ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি প্যাট কামিন্স নেন ৩টি উইকেট।
জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। তাসকিন আহমেদের বলে ম্যাট রেনশ ৮ রান করে ফেরার পর নিজের প্রথম ওভারেই জোড়া আঘাত করেন শরীফুল। ট্রাভিস হেড ও মার্নাস লাবুশেনকে বোল্ড করে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামান তিনি।
তবে স্টিভেন স্মিথ ও ক্যামেরন গ্রিন চতুর্থ উইকেটে ৭৭ রানের জুটি গড়ে পরিস্থিতি সামাল দেন। স্মিথ ৪২ রান করে শরীফুলের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন। পরে মেহেদী হাসান মিরাজের বলে অ্যালেক্স ক্যারি ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন।
এরপর আবারও জোড়া আঘাত হানেন শরীফুল। বো ওয়েবস্টারকে শূন্য রানে এলবিডব্লিউ এবং অধিনায়ক প্যাট কামিন্সকে ক্যাচে ফেরানোর পর মিচেল স্টার্ককেও বোল্ড করেন তিনি। ৬ উইকেট নিতে ৩৪ রান খরচ করেন এই বাঁহাতি পেসার। চোট কাটিয়ে দলে ফিরেই দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন হলো তার।
অন্যপ্রান্তে ব্যাটারদের আসা-যাওয়ার মধ্যেও উইকেট আগলে রাখেন ক্যামেরন গ্রিন। ৮টি চারের সাহায্যে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে ৫১ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেন তিনি।
দিন শেষে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৮ উইকেটে ১৬৫ রান। বাংলাদেশের হয়ে শরীফুল ৬টি এবং তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান একটি করে উইকেট নিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়া এগিয়ে আছে ১০১ রানে।