
রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়সহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে দুটি সেনাক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ক্ষতিগ্রস্ত কাঁটাতারের বেড়া পুনর্নির্মাণ, সৌরবিদ্যুৎচালিত বাতি, সিসিটিভি ক্যামেরা ও ওয়াচটাওয়ার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত জাতীয় কমিটির দ্বিতীয় সভা শেষে এসব তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় মানুষকে অপহরণ করে আটকে রেখে মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনা ঘটছে। এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্টদের মতামতের ভিত্তিতে দুটি সেনাক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
ক্যাম্প দুটি রামু সেনানিবাসের ১০ পদাতিক ডিভিশনের অধীনে পরিচালিত হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এর আগে রঙ্গিখালীসহ দুটি এলাকায় সেনাক্যাম্প স্থাপনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল। সেনাবাহিনীর স্থায়ী উপস্থিতি নিশ্চিত করা গেলে অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ক্যাম্পগুলোতে মাদক কারবার, অনলাইন জুয়া, মানবপাচার, অস্ত্রসংক্রান্ত অপরাধ এবং বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতার মতো সমস্যা রয়েছে। এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।