
কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতসহ গুরুত্বপূর্ণ বিচারিক ও প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠানের আশপাশে সেফটি ট্যাংকের উপচে পড়া নোংরা পানি, আবর্জনার স্তূপ ও ভবন থেকে পড়ে আসা বর্জ্যপানিতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। একই অবস্থা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের চারপাশেও। দুর্গন্ধ ও নোংরা পরিবেশে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন প্রতিদিন চলাচলকারী হাজারো মানুষ।
আদালতপাড়া এলাকায় রয়েছে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, আইনজীবী সমিতি ভবন, আইন কলেজ এবং বিভিন্ন ম্যাজিস্ট্রেট ও জুডিশিয়াল আদালত। মামলা পরিচালনা, শুনানি, জামিন, নথিপত্র সংগ্রহ ও সরকারি সেবা নিতে প্রতিদিন বহু মানুষ এসব প্রতিষ্ঠানে আসেন।
কিন্তু চলাচলের পথে সেফটি ট্যাংকের উপচে পড়া পানি ও আবর্জনা জমে থাকায় পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। কয়েকটি ভবনের ওপর থেকেও নোংরা পানি সরাসরি রাস্তায় পড়ছে। বিশেষ করে দূরদূরান্ত থেকে আসা বিচারপ্রার্থী, নারী, বয়স্ক ও অসুস্থ মানুষকে এসব নোংরা পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে মাদকদ্রব্যের ধ্বংসাবশেষ পড়ে থাকায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আদালত ও প্রশাসনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের আশপাশে এমন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ জনদুর্ভোগ বাড়াচ্ছে। তাঁদের মতে, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের পাশাপাশি নোংরা পানির উৎস চিহ্নিত করা এবং ভবন থেকে বর্জ্যপানি সরাসরি চলাচলের পথে পড়া বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
সচেতন মহল বলছে, সেফটি ট্যাংকের উপচে পড়া পানি বন্ধ, বর্জ্যপানি নিষ্কাশনের সুষ্ঠু ব্যবস্থা, আবর্জনা অপসারণ এবং নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের আশপাশেও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি বাড়ানো জরুরি।
এ পরিস্থিতিতে আদালতের বিচারক, জেলা প্রশাসন, গণপূর্ত বিভাগ, আইনজীবী সমিতি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ চেয়েছেন ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল। তাঁদের দাবি, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে এলাকাটিকে পরিচ্ছন্ন ও দুর্গন্ধমুক্ত করা হোক।