কক্সবাজারে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই পর্যটন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সৌরবিদ্যুৎসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০২৬-২০৩০ অনুসরণ করে গ্রিন ট্যুরিজম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পর্যটন খাতের অংশীজনদের নিয়ে মতবিনিময় সভায় এ বিষয়ে আলোচনা হয়।
রোববার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোজাফফর আহমেদ। সভায় সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান।
সভায় কক্সবাজারের পর্যটন খাতকে পরিবেশবান্ধব করতে হোটেল, মোটেল ও পর্যটনসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষ করে এসব প্রতিষ্ঠানের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও কার্বন নিঃসরণ কমানোর বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
এ সময় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ছাদে স্থাপিত ৮০ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ বা সোলার পিভি ব্যবস্থার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়। সরকারি প্রতিষ্ঠানে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর ক্ষেত্রে এ উদ্যোগকে একটি সফল উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
সভায় কক্সবাজারের হোটেল ও পর্যটনসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের ভবনের ছাদ যথাযথভাবে ব্যবহার করে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের আহ্বান জানানো হয়। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এতে পরিবেশ সুরক্ষার পাশাপাশি জ্বালানি ব্যয় কমবে এবং দীর্ঘমেয়াদে টেকসই পর্যটন ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।
অংশীজনরা বলেন, দেশের অন্যতম প্রধান পর্যটন গন্তব্য কক্সবাজারকে পরিবেশবান্ধব পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সবুজ জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো এখন সময়ের দাবি। নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পরিবেশ সুরক্ষা ও টেকসই পর্যটনের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে ‘গ্রিন কক্সবাজার’ বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।
BanglaDock