ডারউইন টেস্টে বাংলাদেশের কাছে ৯ উইকেটে হারের পর এবার বড় অঙ্কের জরিমানার শঙ্কায় পড়েছে অস্ট্রেলিয়া দল। ধীরগতির ওভার রেটের কারণে প্যাট কামিন্সদের প্রত্যেক খেলোয়াড়কে ৪ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার করে জরিমানা করা হতে পারে। সব মিলিয়ে জরিমানার পরিমাণ দাঁড়াতে পারে প্রায় ৪৪ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৮ লাখ ২৭ হাজার টাকা।
ডারউইন টেস্টের দ্বিতীয় দিনে নির্ধারিত ৯০ ওভারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়া ৮৬ ওভার বোলিং করেছে। অর্থাৎ চার ওভার কম বল করেছে তারা। আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, টেস্টে প্রতি ঘণ্টায় ১৫ ওভার করে বল করার কথা। নির্ধারিত ওভার থেকে প্রতি ওভার কম হলে ম্যাচ ফির ৫ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।
অস্ট্রেলিয়ার একজন টেস্ট খেলোয়াড়ের ম্যাচ পারিশ্রমিক ২০ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার। এর ৫ শতাংশ ১ হাজার ডলার। চার ওভার কম হওয়ায় প্রত্যেক খেলোয়াড়ের সর্বোচ্চ ৪ হাজার ডলার জরিমানা হতে পারে। দলের ১১ খেলোয়াড়ের হিসাবে মোট জরিমানার অঙ্ক প্রায় ৪৪ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার।
তবে জরিমানা হবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। ম্যাচ রেফারি ডারউইনের তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ও উইকেট পতনের মতো পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। ফলে আবহাওয়াজনিত পরিস্থিতিই অস্ট্রেলিয়ার খেলোয়াড়দের শাস্তি থেকে বাঁচার সুযোগ তৈরি করতে পারে।
শুধু আর্থিক জরিমানাই নয়, ধীরগতির ওভার রেটের কারণে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্টও কাটার ঝুঁকিতে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। নিয়ম অনুযায়ী, পেনাল্টি হলে তাদের ৪ পয়েন্ট হারাতে হতে পারে।
বাংলাদেশের ওভার রেটও নির্ধারিত সময়ের তুলনায় কম ছিল। তবে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস মাত্র ৫৩ ওভারে শেষ হয়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ শাস্তির আওতায় পড়ছে না। আইসিসির নিয়মে কোনো দল ৮০ ওভার ব্যাট না করে অলআউট হলে নির্ধারিত ওভার রেটের শাস্তি থেকে ছাড় পেতে পারে।
ডারউইন টেস্টে ঐতিহাসিক জয় তুলে নিয়ে বাংলাদেশ এখন সিরিজ জয়ের স্বপ্ন দেখছে। অন্যদিকে হারের ধাক্কার পাশাপাশি সম্ভাব্য জরিমানার চাপও সামলাতে হচ্ছে অস্ট্রেলিয়াকে।
BanglaDock