`
ঢাকা | বাংলাব্দ
COX'S BAZAR WEATHER

পাঁচ বছরের মধ্যে মালয়েশিয়া-থাইল্যান্ডকে ছাড়াতে পারে বাংলাদেশ: আইএমএফের পূর্বাভাস

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 28, 2026 ইং
পাঁচ বছরের মধ্যে মালয়েশিয়া-থাইল্যান্ডকে ছাড়াতে পারে বাংলাদেশ: আইএমএফের পূর্বাভাস ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত
ad728

আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতি আরও বড় হয়ে বিশ্বের ৩২তম বৃহৎ অর্থনীতিতে পরিণত হতে পারে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩০ সালে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি প্রায় ৬৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাতে পারে।


আইএমএফের পূর্বাভাসের ভিত্তিতে কানাডাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্ট ২০৩০ সালের সম্ভাব্য বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চিত্র তুলে ধরেছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, বর্তমান প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামের মতো কয়েকটি এশীয় অর্থনীতিকে পেছনে ফেলতে পারে।


আইএমএফের হিসাব অনুযায়ী, ২০৩০ সালে বিশ্ব অর্থনীতির মোট আকার ১৫০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। ওই সময় বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান শীর্ষে থাকবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। দেশটির জিডিপি প্রায় ৩৭ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে।


দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে থাকবে চীন, যার অর্থনীতির আকার প্রায় ২৬ ট্রিলিয়ন ডলারে দাঁড়াতে পারে। তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির অবস্থান নিয়ে জার্মানি ও ভারতের মধ্যে ঘনিষ্ঠ প্রতিযোগিতা হতে পারে।


পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩০ সালে জার্মানির জিডিপি প্রায় ৬ দশমিক ১৭৮ ট্রিলিয়ন এবং ভারতের প্রায় ৬ দশমিক ১৭৩ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। দুই দেশের অর্থনীতির ব্যবধান থাকবে মাত্র প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার। তবে বর্তমান প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকলে ভারত শেষ পর্যন্ত জার্মানিকে ছাড়িয়ে যেতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।


এশিয়ার বড় অর্থনীতিগুলোর মধ্যে চীন ও ভারতের পর জাপানের অবস্থান থাকবে। ২০৩০ সালে জাপানের জিডিপি প্রায় ৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। দক্ষিণ কোরিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার অর্থনীতির আকার যথাক্রমে প্রায় ২ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ও ২ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন ডলার হতে পারে।


আইএমএফের পূর্বাভাসে বিশ্বের কয়েকটি দেশের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এর মধ্যে রয়েছে আফগানিস্তান, বলিভিয়া, কিউবা, ইরিত্রিয়া, লেবানন, উত্তর কোরিয়া, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, সিরিয়া ও ভেনেজুয়েলা।


অর্থনীতিবিদদের মতে, একটি দেশের অর্থনীতির আকার নির্ধারণে মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। একটি দেশের ভেতরে নির্দিষ্ট সময়ে উৎপাদিত সব ধরনের পণ্য ও সেবার মোট আর্থিক মূল্যকে জিডিপি বলা হয়। তবে ২০৩০ সালের এই অবস্থান ও প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বাস্তবে কতটা অর্জিত হবে, তা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ, উৎপাদন এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : BanglaDock

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
টেকনাফে সাঁড়াশি অভিযানে কুখ্যাত ডাকাতসহ ১৫ জন গ্রেপ্তার

টেকনাফে সাঁড়াশি অভিযানে কুখ্যাত ডাকাতসহ ১৫ জন গ্রেপ্তার