সম্পর্কে ভালোবাসা নাকি লুকিয়ে আছে ব্যক্তিগত স্বার্থ—তা বোঝা সবসময় সহজ নয়। অনেক সময় সঙ্গীর প্রতি আকর্ষণের পেছনে সামাজিক মর্যাদা, আর্থিক সুবিধা কিংবা নিজের ভাবমূর্তি বাড়ানোর আকাঙ্ক্ষা কাজ করতে পারে। কিছু আচরণ খেয়াল করলে সম্পর্কের প্রকৃতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া সম্ভব।
প্রথমত, সঙ্গী অন্যদের কাছে আপনাকে কীভাবে পরিচয় করিয়ে দেন, তা লক্ষ্য করুন। আপনার ব্যক্তিত্ব ও গুণের বদলে যদি তিনি বারবার আপনার পদমর্যাদা, পরিচিতি বা আর্থিক অবস্থাকে গুরুত্ব দেন, তাহলে সম্পর্কের উদ্দেশ্য নিয়ে ভাবার অবকাশ রয়েছে।
দ্বিতীয়ত, প্রকাশ্যে সঙ্গীর আচরণ আর ব্যক্তিগত মুহূর্তের আচরণে বড় পার্থক্য আছে কি না, খেয়াল করুন। সবার সামনে ভালোবাসা প্রকাশ করলেও একান্তে যদি আপনাকে গুরুত্ব না দেওয়া হয়, তবে সম্পর্কের আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।
তৃতীয়ত, আপনার সামাজিক মর্যাদা বা আর্থিক অবস্থার পরিবর্তনে সঙ্গীর আচরণ বদলে যায় কি না, তা দেখুন। আপনার কাছ থেকে পাওয়া সুযোগ-সুবিধা বা সামাজিক পরিচিতিই যদি সম্পর্কের প্রধান আকর্ষণ হয়, তবে সেটি স্বার্থনির্ভর সম্পর্কের ইঙ্গিত হতে পারে।
তবে একটি বা দুটি আচরণ দেখেই সঙ্গীর ভালোবাসা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়। সম্পর্কের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সম্মান, আন্তরিকতা, নির্ভরতা ও নিয়মিত আচরণের ধারাবাহিকতা বিবেচনা করা জরুরি।
BanglaDock