দুর্গাপূজার ছুটি ও বিচ কার্নিভাল ঘিরে দেশের দুই জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র কক্সবাজার ও কুয়াকাটায় পর্যটকদের উপস্থিতি বাড়ছে। সৈকত ও দর্শনীয় স্থানগুলোতে বাড়ছে ভিড়। পাশাপাশি হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টে আগাম বুকিংও বেড়েছে।
কক্সবাজারে সাধারণত নভেম্বর থেকে পর্যটন মৌসুম শুরু হলেও এবার দুর্গাপূজার ছুটিকে কেন্দ্র করে আগেভাগেই জমে উঠেছে পর্যটন ব্যবসা। শুক্রবার বিকেলে সুগন্ধা ও কলাতলী সৈকতে পর্যটকদের ভিড় দেখা যায়। কেউ পরিবার নিয়ে সমুদ্রের ঢেউ উপভোগ করছেন, কেউ ছবি তুলছেন। ঘোড়ায় চড়া, বিচবাইক ও জেটস্কিতে ভ্রমণের পাশাপাশি অনেকে সাগরে গোসল ও কিটকটে সময় কাটাচ্ছেন। মেরিন ড্রাইভ ও হিমছড়ি ঝরনাসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানেও বেড়েছে পর্যটকদের আনাগোনা।
কক্সবাজার হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার জানান, পূজার দীর্ঘ ছুটির আগেই পর্যটকদের এমন উপস্থিতি তাঁদের প্রত্যাশার বাইরে ছিল। আগামী ২০ অক্টোবর থেকে পাঁচ দিনের ছুটিতে প্রতিদিন গড়ে এক লাখের বেশি পর্যটক আসতে পারেন। সে হিসাবে পাঁচ দিনে ছয় লাখের বেশি পর্যটকের সমাগম হতে পারে।
অন্যদিকে, দুর্গাপূজার ছুটি ও ২৩-২৪ অক্টোবর দুই দিনের বিচ কার্নিভাল ঘিরে কুয়াকাটায় লক্ষাধিক পর্যটক ও দর্শনার্থীর সমাগমের আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। শুক্রবার সকাল থেকেই সেখানে পর্যটকদের উপস্থিতি বাড়তে শুরু করে।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ কক্ষ আগাম বুকিং হয়েছে। পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে হোটেল মালিক সমিতি কক্ষভাড়ায় ৫০ শতাংশ ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে। আবাসিক হোটেল সৈকতের ব্যবস্থাপক রাজিব হোসেন জানান, পূজা, সাপ্তাহিক ছুটি ও কার্নিভাল ঘিরে তাঁদের হোটেলের ৮০ শতাংশ কক্ষ আগাম বুকিং হয়েছে।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এম এ মোতালেব শরীফও লক্ষাধিক পর্যটক-দর্শনার্থীর আগমনের আশা করছেন। পর্যটকদের নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশ, জেলা পুলিশ ও স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক নাজমুল হাসান।
BanglaDock