কক্সবাজারের উখিয়ার ময়নারঘোনা রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৮-তে চুরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে গণপিটুনিতে আল আমিন (৩০) নামে এক রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এক নারীসহ আরও তিনজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করার অভিযোগ উঠেছে নিহত আল আমিনের বিরুদ্ধে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে ক্যাম্পের এল-২ ব্লকে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আল আমিন ওরফে ‘চোরা হালাইয়া’ চুরির উদ্দেশ্যে হাসিনা খাতুন (৫০) নামে এক নারীর ঘরে প্রবেশ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় বাধা দিলে তিনি ধারালো অস্ত্র দিয়ে হাসিনা খাতুন, তাঁর দুই ছেলে ইমাম হোসেন (৩১) ও আল মিজানকে (২৫) আঘাত করেন বলে দাবি করা হয়েছে।
পরে ঘটনাস্থল থেকে পালানোর সময় উত্তেজিত কয়েকজন রোহিঙ্গা তাঁকে গণপিটুনি দেন। স্থানীয় লোকজন আহত চারজনকে উখিয়ার কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক আল আমিনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অপর তিনজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। গণপিটুনিতে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
ঘটনার পর ক্যাম্প এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
BanglaDock