কক্সবাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসনের পৃথক অভিযানে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা এবং অবৈধ বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত তিনটি ড্রেজার মেশিন জব্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল থেকে শহর ও ঈদগাঁও উপজেলায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে শহরের পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. হাসান-আল-মারুফ জানান, মাংসের মূল্য দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন না করায় চারটি মাংসের দোকানকে তিন হাজার টাকা করে মোট ১২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া পণ্যের মূল্য প্রদর্শন না করায় একটি স্টোরকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানকালে শাকসবজি, মুরগি, ফল, ডিম ও মুদি দোকানসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বিভিন্ন দোকানও তদারকি করা হয়।
অন্যদিকে, ঈদগাঁও উপজেলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে তিন দফা অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে তিনটি ড্রেজার মেশিন জব্দের পাশাপাশি বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত অন্যান্য সরঞ্জাম নষ্ট করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মংচিংনু মারমা জানান, প্রথমে মহাসড়কসংলগ্ন ঈদগাঁও নাসি খালের অবৈধ বালু উত্তোলনস্থলে অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি ড্রেজার মেশিন জব্দ করা হয় এবং বালু উত্তোলনের সরঞ্জাম নষ্ট করা হয়। অভিযানে জড়িত একজনের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
দ্বিতীয় দফায় ঈদগাঁও নদীর হাইস্কুলের বিপরীত পাশে অভিযান চালিয়ে আরেকটি ড্রেজার মেশিন জব্দ করা হয়। সেখানেও বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম নষ্ট করা হয়। তবে এ সময় ঘটনাস্থলে কাউকে পাওয়া যায়নি।
তৃতীয় দফায় জালালাবাদ ইউনিয়নের ছাতিপাড়ায় ঈদগাঁও নদীর অবৈধ বালু উত্তোলনস্থলে অভিযান চালানো হয়। সেখানে একটি বসতভিটায় ভরাট করা বিপুল পরিমাণ বালু এবং একটি ড্রেজার মেশিন জব্দ করা হয়। এ সময় বালু উত্তোলনে জড়িত ঈদগাঁও রাবার ড্যাম পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আয়াত উল্লাহ ছুট্টো পালিয়ে যান। পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজনের সামনে তাঁকে দুই লাখ টাকা জরিমানার ঘোষণা দেওয়া হয়।
BanglaDock