‘অভিজ্ঞতার নতুন ঢেউ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে আগামী ১৫ নভেম্বর কক্সবাজারে শুরু হচ্ছে তিন মাসব্যাপী ‘কক্সবাজার পর্যটন কার্নিভ্যাল ২০২৬’। হোটেল শৈবাল-সংলগ্ন সমুদ্রসৈকতের প্রায় ৩৫ একর এলাকাজুড়ে আয়োজন করা হবে এই কার্নিভ্যাল। এতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, বালুশিল্প, খাবার, খেলাধুলা ও বিনোদনসহ থাকছে নানা আয়োজন।
বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের উদ্যোগে এবং স্পেলবাউন্ড কমিউনিকেশনস লিমিটেডের বাস্তবায়নে এ কার্নিভ্যাল অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজকদের দাবি, এটি দেশের প্রথম ও বৃহত্তম সমুদ্রসৈকত কার্নিভ্যাল। এ আয়োজনের এক্সক্লুসিভ অনলাইন টিকিটিং ও বিভিন্ন অভিজ্ঞতা বুকিং পার্টনার হিসেবে যুক্ত হয়েছে টিকিফাই লিমিটেড।
কার্নিভ্যাল উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ভবনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় স্পেলবাউন্ড কমিউনিকেশনস ও টিকিফাইয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই হয়। সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের পরিচালক ও সরকারের অতিরিক্ত সচিব মো. গনী উল আজম। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্পেলবাউন্ড নেটওয়ার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাদেকুল আরেফীন এবং টিকিফাইয়ের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন।
আয়োজকেরা জানান, কার্নিভ্যালে থাকছে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, উন্মুক্ত চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, আন্তর্জাতিক মানের বালুশিল্প, চিত্র ও কারুশিল্প প্রদর্শনী, খাবার ও কেনাকাটার আয়োজন। শিশুদের বিনোদনের পাশাপাশি থাকবে মিনি গলফ, গো-কার্টিং, খেলাধুলা ও ক্যাম্পিংয়ের ব্যবস্থা। বিশেষ শিল্প আয়োজনে অংশ নেবেন আন্তর্জাতিক বালুশিল্পী পল ও রেমি হগার্ড।
এ আয়োজনে অনলাইন টিকিট বিক্রি, বিভিন্ন অভিজ্ঞতা ও কার্যক্রমের বুকিং, ডিজিটাল পেমেন্ট এবং দর্শনার্থীদের প্রবেশ ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তিগত সেবা দেবে টিকিফাই। আগামী ১৯ নভেম্বর থেকে অনলাইন ও অফলাইন—দুই মাধ্যমেই টিকিট সংগ্রহ ও প্রবেশসেবা চালু হবে।
নিয়মিত একবার প্রবেশের পাসের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০ টাকা। একই দিনে একাধিকবার প্রবেশের পাসের জন্য দিতে হবে ৫০০ টাকা। তবে কার্নিভ্যালের নির্দিষ্ট কিছু অভিজ্ঞতা ও কার্যক্রম উপভোগ করতে আলাদা টিকিট কিনতে হবে।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ কার্নিভ্যালের মাধ্যমে কক্সবাজারের পর্যটন আরও বৈচিত্র্যময় ও অভিজ্ঞতাভিত্তিক হবে। পাশাপাশি স্থানীয় উদ্যোক্তা, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, কারুশিল্পী ও পর্যটনসেবা প্রদানকারীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থান ও ব্যবসার সুযোগ তৈরি হবে।
BanglaDock