কক্সবাজারের রামু উপজেলার ঈদগড়-ঈদগাঁও সড়কে ডাকাতি, অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশের অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ সড়কে নিরাপত্তা জোরদার এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নজরদারি ও জনবল বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ঈদগড়-ঈদগাঁও সড়কে ডাকাতি, অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। এ সড়কে চলাচলের সময় পুলিশ সদস্য, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অপরাধীদের হামলা ও ডাকাতির শিকার হয়েছেন বলে স্থানীয়দের দাবি। এ পরিস্থিতিতে এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থায়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।
প্রস্তাবিত তদন্ত কেন্দ্রের কার্যক্রম পরিচালনায় ২৯ জন পুলিশ সদস্য নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে একজন পুলিশ পরিদর্শক, চারজন উপপরিদর্শক (এসআই), চারজন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) এবং ২০ জন কনস্টেবল রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
অপরাধ দমন ও টহল কার্যক্রম জোরদারে যানবাহন এবং নিরাপত্তা সরঞ্জাম সরবরাহের পরিকল্পনাও রয়েছে। প্রস্তাবিত যানবাহনের তালিকায় রয়েছে একটি ডাবল কেবিন পিকআপ ও ১২টি মোটরসাইকেল।
এ ছাড়া নিরাপত্তা সরঞ্জাম হিসেবে একটি আর্চওয়ে গেট, ১০টি হ্যান্ডহেল্ড মেটাল ডিটেক্টর, দুটি ভেহিকেল সার্চ মিরর, একটি জেনারেটর, ১০টি সিসিটিভি ক্যামেরা এবং ১৫টি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সার্চলাইট রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, পুলিশের অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন এবং পরবর্তী সময়ে তদন্ত কেন্দ্রের কার্যক্রম চালু হলে ঈদগড়-ঈদগাঁও সড়কে নিরাপত্তা বাড়বে। পাশাপাশি ডাকাতি, অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডসহ অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
BanglaDock