‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’ প্রতিপাদ্যে রোববার পালিত হচ্ছে বিশ্ব পর্যটন দিবস। দিবসটি ও সাপ্তাহিক ছুটিকে কেন্দ্র করে পর্যটকের ঢলে মুখর হয়ে উঠেছে কক্সবাজার। গত বৃহস্পতিবার থেকেই দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পর্যটকরা আসতে শুরু করেন। লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টসহ বিভিন্ন স্থানে দেখা গেছে পর্যটকদের ভিড়।
দিবসটি উপলক্ষে কক্সবাজারে চলছে তিন দিনের পর্যটন মেলা। লাবণী পয়েন্টের উন্মুক্ত মঞ্চের পাশে আয়োজিত মেলায় রয়েছে প্রায় অর্ধশত ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের স্টল। প্রতিদিন মঞ্চে ফোক গান, কাওয়ালি, দ্বৈত গানসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পর্যটকরাও এসব আয়োজন উপভোগ করছেন।
বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে রোববার বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। এতে ট্যুরিস্ট পুলিশের মোটরসাইকেল বহর, সৈকতের ঘোড়া ও বিচ বাইকসহ কক্সবাজারের ঐতিহ্য তুলে ধরা হবে। পর্যটনশিল্পের বিকাশ ও প্রসারে বিভিন্ন স্লোগানসংবলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও পর্যটকরাও এতে অংশ নেবেন।
পর্যটন দিবস উপলক্ষে হোটেল, খাবার ও যানবাহনে বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, কিছু হোটেলে এক সপ্তাহব্যাপী ছাড় দেওয়া হচ্ছে। পর্যটকদের জন্য যানবাহনে ২০ শতাংশ এবং খাবারে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ের ব্যবস্থার কথাও জানানো হয়েছে। সাপ্তাহিক ছুটি ও পর্যটন দিবসকে কেন্দ্র করে অনেক হোটেলের কক্ষ আগেই বুকিং হয়ে গেছে।
পর্যটকদের নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশও কাজ করছে। একই সঙ্গে পর্যটকরা যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে জন্য পর্যটন সেলের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একাধিক দল মাঠে দায়িত্ব পালন করছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২০২৩ সালের পর এবার আবার বড় পরিসরে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপনের আয়োজন করা হয়েছে। তিন দিনের মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শোভাযাত্রা ও বিভিন্ন ছাড়ের মাধ্যমে পর্যটকদের জন্য উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
BanglaDock