`
ঢাকা | বাংলাব্দ
COX'S BAZAR WEATHER

সেন্টমার্টিনে পরিবেশ অধিদপ্তরের বৃক্ষরোপণ ও কেয়া চারা বিতরণ

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 27, 2026 ইং
সেন্টমার্টিনে পরিবেশ অধিদপ্তরের বৃক্ষরোপণ ও কেয়া চারা বিতরণ ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত
ad728

সেন্টমার্টিন দ্বীপের জীববৈচিত্র্যের ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণ ও কেয়া চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) পরিবেশ অধিদপ্তরের ‘জীববৈচিত্র্যের ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় অভিযোজন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।


দ্বীপের পরিবেশ অধিদপ্তর মেরিনপার্কের সেন্টার প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম অনিক চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রকল্পের পরিচালক মো. কামরুল হাসান।


বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সেন্টমার্টিন বিএনপির সভাপতি নুরুল আলম আরমান বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপ দেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ এবং এ দ্বীপ রক্ষায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীকেই এগিয়ে আসতে হবে। তিনি দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি হয় এমন কর্মকাণ্ড থেকে সবাইকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।


প্রকল্প পরিচালক মো. কামরুল হাসান বলেন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে বিভিন্ন স্থানে প্রায় ৬ হাজার কেয়া চারা এবং প্রায় ১০ হাজার নিশিন্দা গাছ রোপণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা হবে বলে জানান তিনি।


তিনি বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপকে শুধু অর্থনৈতিক লাভের উৎস হিসেবে বিবেচনা না করে এর পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।


প্রধান অতিথির বক্তব্যে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম অনিক চৌধুরী বলেন, সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। দ্বীপের সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।


তিনি কেয়াগাছ কাটা বা রাসায়নিক ব্যবহার করে গাছ ধ্বংসের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের পেছনে যত প্রভাবশালী ব্যক্তি বা শক্তিই থাকুক, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজারের সহকারী পরিচালক আব্দুল লতিফ জনি ও পরিদর্শক হুজাইফাসহ অন্যান্যরা। এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সৈকতসংলগ্ন বিভিন্ন রিসোর্টের মালিক ও কর্তৃপক্ষ উপস্থিত ছিলেন।


আলোচনা শেষে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম অনিক চৌধুরীর নেতৃত্বে সৈকতে কেয়া চারা রোপণ করা হয়। পরে সৈকতসংলগ্ন রিসোর্ট মালিকদের মধ্যেও কেয়া চারা বিতরণ করা হয়।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : BanglaDock

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ভারী বর্ষণে সাজেকে সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা, ভ্রমণে নিষেধ

ভারী বর্ষণে সাজেকে সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা, ভ্রমণে নিষেধ