নিয়মিত ডিম খাওয়া শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে বলে জানিয়েছেন হার্ভার্ড ও স্ট্যানফোর্ডে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ডা. সৌরভ শেঠি। তাঁর মতে, টানা দুই সপ্তাহ প্রতিদিন ডিম খেলে শরীরে কয়েকটি ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।
ডিমকে সম্পূর্ণ প্রোটিনের অন্যতম ভালো উৎস হিসেবে ধরা হয়। এতে উচ্চমানের প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল, স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং কোলিনের মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান রয়েছে।
বিশেষজ্ঞের মতে, নিয়মিত ডিম খেলে চোখের জন্য উপকারী লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিন দৃষ্টিশক্তি রক্ষায় সহায়তা করতে পারে। বয়সজনিত ম্যাকুলার ডিজেনারেশন ও ছানিপড়া হওয়ার ঝুঁকি কমাতেও এটি ভূমিকা রাখতে পারে।
ডিমে থাকা কোলিন মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও স্মৃতিশক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে এটি লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমার ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে।
ডিম নিয়ে কোলেস্টেরল বাড়ার যে ধারণা রয়েছে, সে বিষয়ে ডা. শেঠি বলেন, পরিমিত ডিম খাওয়া শরীরের ভালো কোলেস্টেরল বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। সকালের নাশতায় ডিম খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকে এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা অনুভূত হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রতিদিন একটি ডিম খাওয়া সাধারণত নিরাপদ। তবে যাদের হৃদরোগ, উচ্চ কোলেস্টেরল বা অন্য কোনো স্বাস্থ্যগত সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী ডিম খাওয়ার পরিমাণ নির্ধারণ করা উচিত। ডিম না খেলে টোফু উচ্চমানের উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের একটি ভালো বিকল্প হতে পারে।
BanglaDock