`
ঢাকা | বাংলাব্দ
COX'S BAZAR WEATHER

পে-স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়নে মূল্যবৃদ্ধির শঙ্কা নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Sep 4, 2026 ইং
পে-স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়নে মূল্যবৃদ্ধির শঙ্কা নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত
ad728

সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হলে বাজারে আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধির বড় চাপ তৈরির আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, সরকারি কর্মচারীদের বেতন গত ১১ বছর সমন্বয় করা হয়নি। মূল্যস্ফীতির বাস্তবতায় দীর্ঘদিন পর বেতন সমন্বয়ের সিদ্ধান্তটি যৌক্তিক। আগামী বছরের জুলাই পর্যন্ত ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন হওয়ায় একবারে বড় অঙ্কের অতিরিক্ত অর্থ বাজারে প্রবাহিত হওয়ার সুযোগ থাকবে না।


বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টার ইন-এ বাংলাদেশের চামড়া খাতের অগ্রগতি নিয়ে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। অস্ট্রেলিয়ান সরকার, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ফ্ল্যাক্সারের পৃষ্ঠপোষকতায় বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সানেম এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।


বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে শুধু সরকারি কর্মচারীদের বেতন নয়, বাজারে পণ্যের সরবরাহ, আমদানি পরিস্থিতি, উৎপাদন ব্যয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দামের বিষয়গুলোও গুরুত্বপূর্ণ। সরকার এসব বিষয় সমন্বিতভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।


ভোজ্যতেলের দাম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজার এবং অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ও প্রক্রিয়াকরণ ব্যয় বিবেচনায় দাম নির্ধারণ করা হচ্ছে। সয়াবিন তেল পুরোপুরি আমদানিনির্ভর হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়া-কমার প্রভাব দেশের বাজারেও পড়ে। তিনি জানান, টিসিবির মাধ্যমে প্রতি মাসে প্রায় ৭৮ লাখ পরিবারকে ভর্তুকি মূল্যে নিত্যপণ্য দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ওএমএস কার্যক্রম ও খোলা ট্রাকে পণ্য বিক্রি চলছে। বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হচ্ছে কিনা, তা নজরদারি করা হচ্ছে।


চিনির বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, দেশের অন্যতম বড় রিফাইনারি মেঘনা গ্রুপের কাছে পর্যাপ্ত অপরিশোধিত চিনি রয়েছে।


চামড়া শিল্পে বড় সংস্কারের উদ্যোগ


দেশের চামড়া শিল্পকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ফিরিয়ে আনতে সমন্বিত সংস্কার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, হাজারীবাগ থেকে সাভারের হেমায়েতপুরে ট্যানারি স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল। তবে বাস্তবায়ন ও ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে শিল্পটি প্রত্যাশিত সুফল পায়নি।


সাভারের কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার (সিইটিপি) সমস্যাকে চামড়া শিল্পের বড় বাধা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি জানান, নতুন বিশ্বমানের সিইটিপি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যমান সিইটিপি সংস্কারের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। বর্তমানে ২৫ হাজার ঘনমিটার নির্ধারিত সক্ষমতার বিপরীতে কার্যকরভাবে প্রায় ১৪-১৫ হাজার ঘনমিটার বর্জ্য শোধন করা সম্ভব হচ্ছে।


বড় ট্যানারিগুলোতে নিজস্ব ইটিপি স্থাপন বাধ্যতামূলক করার পাশাপাশি ছোট ট্যানারিগুলোকে কেন্দ্রীয় সিইটিপির সঙ্গে সমন্বয় করে শতভাগ কমপ্লায়েন্সের আওতায় আনার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়ার ডেপুটি হাইকমিশনার ক্লিনটন পবকে, ফ্ল্যাক্সারের সভাপতি সৈয়দ নাসিম মঞ্জু, সানেমের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হানসহ চামড়া শিল্পের উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, শ্রমিক প্রতিনিধি ও উন্নয়ন সহযোগীরা অংশ নেন।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : BanglaDock

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
এসএসসিতে কক্সবাজারে পাসের হার ৫৭.০৯ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৯

এসএসসিতে কক্সবাজারে পাসের হার ৫৭.০৯ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৯