কক্সবাজারের টেকনাফে চাঞ্চল্যকর অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির মামলার মূলহোতাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১৫। এ সময় অপহরণে ব্যবহৃত একটি অটোরিকশাও জব্দ করা হয়েছে।
রোববার (১৯ জুলাই) র্যাব-১৫, কক্সবাজার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
র্যাব জানায়, গত ২৬ জুন টেকনাফের গহীন পাহাড়ে সংঘবদ্ধ অপহরণকারী চক্র অস্ত্রের মুখে চারজনকে অপহরণ করে এবং তাদের পরিবারের কাছে জনপ্রতি পাঁচ লাখ টাকা করে মুক্তিপণ দাবি করে। মুক্তিপণের টাকা আদায়ের জন্য ভুক্তভোগীদের ওপর নির্মম শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত ৩০ জুন র্যাব-১৫-এর সিপিসি-১, টেকনাফ রঙ্গীখালী জুম্মাপাড়া এলাকার গহীন পাহাড়ে বিশেষ অভিযান চালিয়ে নির্যাতনের শিকার চার ভুক্তভোগীকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ১ জুলাই টেকনাফ মডেল থানায় অপহরণ, চাঁদাবাজি, মারধর, চুরি ও সংঘবদ্ধ অপরাধের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়।
এরপর থেকে মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে র্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি ও চিরুনি অভিযান অব্যাহত ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৮ জুলাই রাত ৯টা ২০ মিনিটে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালী জুম্মাপাড়া এলাকার গহীন পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি মো. রাসেল (২৮) এবং তার সহযোগী আরমান (২১)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় অপহরণে ব্যবহৃত একটি অটোরিকশাও জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত রাসেল টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালী এলাকার বাসিন্দা এবং আরমান একই ইউনিয়নের জুম্মাপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
র্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-১৫ জানায়, অস্ত্র, মাদক, অপহরণসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে তাদের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধী যে-ই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।
BanglaDock