কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় পৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চোর-ছিনতাইকারী, মাদক ব্যবসায়ী, মাদক সেবনকারী, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ও অন্যান্য অপরাধে জড়িতসহ ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ছিনতাই ও চুরির ঘটনা প্রতিরোধ এবং এসব ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ৫ জনকে চোর-ছিনতাইয়ের অভিযোগে, ২ জনকে মাদক ব্যবসার অভিযোগে, ৪ জনকে মাদক সেবনের অভিযোগে, ৭ জনকে বিভিন্ন মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হিসেবে এবং ধর্তব্য অপরাধে আরও ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার পাঁচজন হলেন মো. মিরাজ (২১), মো. রুবেল (২৬), মো. আবদুর রহমান (৪৬), মিজানুর রহমান ওরফে গিট্টু মিজান (৩০) এবং মো. রমজান (২২)। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের কয়েকজনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
মো. রুবেলের বিরুদ্ধে কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা রয়েছে। আবদুর রহমানের বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর থানায় দ্রুত বিচার আইন, দস্যুতার প্রস্তুতি ও অস্ত্র আইনে পৃথক মামলা রয়েছে। গিট্টু মিজানের বিরুদ্ধে রামু ও কক্সবাজার সদর থানায় দস্যুতার প্রস্তুতি, অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়া রমজানের বিরুদ্ধেও কক্সবাজার সদর থানায় দস্যুতার প্রস্তুতি ও সংঘবদ্ধ অপরাধের অভিযোগে দুটি মামলা রয়েছে।
অভিযানে মাদক ব্যবসার অভিযোগে টেকনাফের মঈন উদ্দিন ওরফে মাঈন উদ্দিন (৪০) এবং তৈয়বা খাতুন (৪৩)কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মাদক সেবনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে আবুল হাসিম (২০), আবদুল মান্নান (২০), তৌহিদুল ইসলাম আরিফ (২৬) এবং মহেশখালীর শাপলাপুর এলাকার এক ব্যক্তিকে।
ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের মধ্যে রয়েছেন মো. জসিম উদ্দিন (২৮), বিজয় ধর (৪৫), মো. মাহিন (২৬), মো. রুবেল, মো. নাছির (৪০), কামরুল হাসান (৩৯) ও আবদুল মোতালেব (২৮)।
এ ছাড়া ধর্তব্য অপরাধে সাইফুল ইসলাম (২৬) ও মো. সেলিম (৫০) নামে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, কক্সবাজার শহর ও আশপাশের এলাকায় চুরি, ছিনতাই, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
BanglaDock