`
ঢাকা | বাংলাব্দ
COX'S BAZAR WEATHER

প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 24, 2026 ইং
প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত
ad728

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম বলেছেন, প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান। সরকার ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণ করে মানবিক বিবেচনা ও জাতীয় নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়ে এ সংকট মোকাবিলায় কাজ করছে।


সোমবার (২৪ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধীন সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজ আয়োজিত ‘চ্যালেঞ্জেস অব রোহিঙ্গা রিপ্যাট্রিয়েশন: ইন্টারন্যাশনাল পলিটিক্স অ্যান্ড ন্যাশনাল প্রায়োরিটিজ’ শীর্ষক সেমিনারে সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বলেন, রোহিঙ্গা সংকটকে শুধু মানবিক বিষয় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি মানব নিরাপত্তা, জাতীয় নিরাপত্তা, কূটনৈতিক দ্বন্দ্ব এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য ক্রমবর্ধমান হুমকি হয়ে উঠেছে। গত নয় বছরে পরিকল্পনাহীনভাবে নেওয়া এ দায় বাংলাদেশের জন্য ক্রমবর্ধমান বোঝায় পরিণত হয়েছে।


তিনি কক্সবাজার ও ভাসানচরের ৩৩টি ক্যাম্পে অবস্থানরত প্রায় ১১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গার নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির কথাও তুলে ধরেন।


অতীতের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, ১৯৭৮ সালে এবং নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকেও কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন করা হয়েছিল। এতে প্রমাণ হয়, ধৈর্য ও কৌশলগত দৃঢ়তার সঙ্গে পরিচালিত কূটনীতি ফল দিতে পারে।


প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার মানবিক দায়বদ্ধতা, জাতীয় স্বার্থ ও নিরবচ্ছিন্ন কূটনৈতিক সম্পৃক্ততার সমন্বয়ে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় এগিয়ে যাচ্ছে।


সরকারের কৌশল তুলে ধরে তিনি বলেন, জাতিসংঘ, আসিয়ান, ওআইসি, চীন ও ভারতসহ গুরুত্বপূর্ণ অংশীজনের মাধ্যমে বিষয়টি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরা, চীন-ভারতের মধ্যে কৌশলগত ভারসাম্য রাখা, মিয়ানমার সরকার ও আরাকান আর্মির সঙ্গে দ্বৈত পর্যায়ে সম্পৃক্ততা, ক্যাম্পের নিরাপত্তা জোরদার, পূর্ব সীমান্তে প্রতিরোধ সক্ষমতা বাড়ানো এবং আসিয়ান-ওআইসিকে যুক্ত করে আঞ্চলিক কাঠামো গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


এ সময় তিনি মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ জন রোহিঙ্গাকে প্রত্যাবাসনযোগ্য হিসেবে যাচাইয়ের ঘোষণাকে আন্তর্জাতিক চাপ কমানো ও আন্তর্জাতিক আদালতে চলমান গণহত্যা মামলা মোকাবিলার কৌশল হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, এটি প্রকৃত প্রত্যাবাসনের আন্তরিকতার প্রমাণ নয়।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : BanglaDock

কমেন্ট বক্স
বন্যা ও ভূমিধসে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মানবিক পরিস্থিতির অবনতি: ই

বন্যা ও ভূমিধসে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মানবিক পরিস্থিতির অবনতি: ই