`
ঢাকা | বাংলাব্দ
COX'S BAZAR WEATHER

কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ১৩২, দফায় দফায় আফটারশক

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 11, 2026 ইং
কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ১৩২, দফায় দফায় আফটারশক ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত
ad728

কলম্বিয়ায় ৭ দশমিক ৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৩২ জনে পৌঁছেছে। আহত হয়েছেন অন্তত ৫৭০ জন। ভূমিকম্পের পর দেশটির পশ্চিমাঞ্চলে একের পর এক আফটারশক বা পরাঘাত অনুভূত হওয়ায় উদ্ধার তৎপরতা আরও জটিল হয়ে পড়েছে।


স্থানীয় সময় সোমবার (১০ আগস্ট) আঘাত হানা এই ভূমিকম্পে পশ্চিমাঞ্চলের ক্যালি, পেরেইরা, কুইবদো ও মানিজালেস শহরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বহু ভবন ধসে পড়েছে, কয়েকটি বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে এবং অনেক মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।


কলম্বিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যাপিটাল সিটিজ জানিয়েছে, শুধু পেরেইরা শহরেই ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাঁচটি প্রধান শহরে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৮৬টি ভবন ধসে পড়ার তথ্য পাওয়া গেছে এবং সাতটি বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।


যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল চোকো অঞ্চলের সান হোসে দেল পালমার এলাকায়, যা রাজধানী বোগোতা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার পশ্চিমে। কম্পনের কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠের ১০৭ কিলোমিটার গভীরে।


ভূমিকম্পের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে অন্তত ২১টি আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে। ক্যালিতে ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপে উদ্ধারকর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও তল্লাশি চালাচ্ছেন। ভারী যন্ত্রপাতির অভাবে উদ্ধারকাজ ধীরগতিতে চলছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।


ক্যালি শহরে অন্তত ২০টি ভবন ধসে পড়েছে এবং প্রায় ৩৮০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে বহু মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


নতুন প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলার দায়িত্ব গ্রহণের কয়েক দিনের মধ্যেই এই দুর্যোগ দেশটির জন্য বড় সংকটে পরিণত হয়েছে। তিনি জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে বলেছেন, আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধার এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করাই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।


স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রিসারালদা অঞ্চলে অন্তত ৪০ জন এবং ভায়া দেল কাউকা অঞ্চলে ২৭ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে তিন শিশুও রয়েছে।


কলম্বিয়ার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পশ্চিমাঞ্চলের একাধিক বিমানবন্দরের কাঠামোগত নিরাপত্তা পরীক্ষা না হওয়া পর্যন্ত সেগুলোর কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।


প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ভূমিকম্পপ্রবণ রিং অব ফায়ার এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় কলম্বিয়ায় ছোট মাত্রার ভূমিকম্প প্রায়ই অনুভূত হয়। তবে ৬ মাত্রার বেশি ভূমিকম্প সেখানে বিরল। দেশটির ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার মতে, সোমবারের এই ভূমিকম্প একবিংশ শতাব্দীতে কলম্বিয়ায় রেকর্ড হওয়া সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : BanglaDock

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
কক্সবাজারে অনুমোদনহীন স্লিপার বাসকে জরিমানা

কক্সবাজারে অনুমোদনহীন স্লিপার বাসকে জরিমানা