নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬৯ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশটির পুলিশ জানিয়েছে, ভয়াবহ এই দুর্যোগের পর বিভিন্ন এলাকায় এখনো উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চলছে এবং ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব সংগ্রহের কাজ অব্যাহত রয়েছে।
বন্যার পানির সঙ্গে বিভিন্ন এলাকায় নেমে এসেছে কাদা ও ধ্বংসাবশেষ। এতে বহু বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কোথাও কোথাও বসতবাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। নুয়াকোট জেলার ত্রিশূলী নদীর তীরবর্তী এলাকাসহ দুর্গত অঞ্চলগুলোতে বন্যার ক্ষয়ক্ষতির চিত্র ভয়াবহ বলে জানা গেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দারা উদ্ধারকর্মীদের সঙ্গে ধ্বংসাবশেষ সরানোর কাজ করছেন। ত্রিশূলী নদীসহ বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাট কাদা ও ধ্বংসাবশেষে ঢেকে গেছে। পাহাড়ি অঞ্চলে এখনো দুর্যোগের ব্যাপক ক্ষতচিহ্ন দেখা যাচ্ছে।
এদিকে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার তথ্য অনুযায়ী, তিব্বতে আটকা পড়া ৫৫৫ জন পর্যটককে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। চলতি সপ্তাহের শুরুতে বন্যা আঘাত হানার পর তিব্বতের ক্ষয়ক্ষতি ও উদ্ধার কার্যক্রমের বিস্তারিত তথ্য সীমিতভাবে প্রকাশ্যে আসছে।
তিব্বত থেকে সরিয়ে নেওয়া পর্যটকদের জাতীয়তা জানানো হয়নি। ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, দুর্যোগের ঘটনায় তাদের কয়েকজন নাগরিক এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
নেপাল পুলিশ আশঙ্কা করছে, উদ্ধার অভিযান ও ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব সংগ্রহের সঙ্গে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। দুর্গত এলাকাগুলোতে নিখোঁজদের সন্ধান, উদ্ধার এবং ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
BanglaDock