সন্ধ্যার পর স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের রাস্তায় ঘোরাফেরা করতে দেখলে গ্রেপ্তার করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী। কিশোর গ্যাং নির্মূলে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেছেন, এ অপরাধ দমনে পুলিশের প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
শনিবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার শহরের পাবলিক লাইব্রেরির শহীদ সুভাষ হলে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ এবং সামাজিক অপরাধ দমনবিষয়ক এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কক্সবাজার জেলা পুলিশ এ সমাবেশের আয়োজন করে।
অভিভাবক ও শিক্ষকদের উদ্দেশে ডিআইজি বলেন, সন্তানদের ওপর অভিভাবক ও শিক্ষকদের নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারির অভাব রয়েছে। যে বয়সে শিক্ষার্থীদের বই-খাতা নিয়ে ব্যস্ত থাকার কথা, সে সময় তাদের বিকেলে রাস্তায় ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। এ সময় বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি করা ও শিস দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটছে। পারিবারিক শাসন ও নজরদারির অভাবেই কিশোর গ্যাং তৈরি হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী বলেন, ‘আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, কিশোর গ্যাং এ দেশ থেকে নির্মূল করব। কিশোর গ্যাং বলতে কিছু থাকবে না। এটি পুরোপুরি নির্মূল করতে আমাদের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।’
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান। বক্তব্য দেন পৌর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম চৌধুরী, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মাবুদ, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবর রহমান এবং জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম।
বক্তারা বলেন, কক্সবাজার শহরে নানা ধরনের অপরাধ সংঘটিত হয়। অপরাধ দমনে জেলা পুলিশ সম্প্রতি কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন এবং সাধারণ মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
BanglaDock