`
ঢাকা | বাংলাব্দ
COX'S BAZAR WEATHER

প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে ‘মুরাসু’, অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাতের আশঙ্কা

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Nov 2, 2026 ইং
প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে ‘মুরাসু’, অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাতের আশঙ্কা ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত
ad728

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ আরও শক্তিশালী হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। এটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে সোমবার (২ নভেম্বর) রাত নাগাদ ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হানতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।


সোমবার আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমানের স্বাক্ষরিত আবহাওয়া অধিদপ্তরের ৮ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে এটি ১৪ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ ও ৮১ দশমিক ৮ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থান করছে।


সোমবার সকাল ৬টায় ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৪৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৪০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।


বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার। দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে এ গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৭ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের কাছাকাছি সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে।


ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’র কারণে বাংলাদেশে বড় ধরনের প্রভাবের আশঙ্কা নেই। দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে এবং তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।


‘মুরাসু’ একটি তামিল শব্দ। এর অর্থ ঢোল বা রণঢাকজাতীয় বাদ্যযন্ত্র। প্রাচীনকালে দুর্যোগের খবর জানানো, জনসাধারণকে সতর্ক করা কিংবা গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেওয়ার কাজে এ বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করা হতো। ঐতিহাসিক তথ্য ও সঙ্গম সাহিত্য অনুযায়ী, মুরাসু তিন ধরনের—বীরা মুরাসু, ত্যাগা মুরাসু ও ন্যায় মুরাসু। বীরা মুরাসু যুদ্ধের সময় সামরিক বাদ্যযন্ত্র হিসেবে, ত্যাগা মুরাসু দান-উপহার ও দরিদ্রদের সহায়তার আহ্বানে এবং ন্যায় মুরাসু বিচারকার্য ও জনগণের অভিযোগ জানানোর কাজে ব্যবহৃত হতো।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : BanglaDock

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
লোডশেডিংয়ে বিদ্যুতের বিকল্প হিসেবে যা ব্যবহার করা যায়

লোডশেডিংয়ে বিদ্যুতের বিকল্প হিসেবে যা ব্যবহার করা যায়