`
ঢাকা | বাংলাব্দ
COX'S BAZAR WEATHER

চার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে বস্তায় ভরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Sep 17, 2026 ইং
চার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে বস্তায় ভরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল ছবির ক্যাপশন: জিয়াউল আহসান। সংগৃহীত
ad728

বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলামসহ চারজনকে চোখ বেঁধে গুলি করে, পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে বলেশ্বর নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল বলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সাব্বির।


বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে গুমের মামলায় সাক্ষ্য দেন মেজর সাব্বির। তিনি বলেন, ২০১০ সালের মে মাসে তৎকালীন র‍্যাবের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের প্রধান জিয়াউল আহসানের উপস্থিতি ও নির্দেশে র‍্যাব-৮-এর ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের সদস্যরা ওই হত্যাকাণ্ড ঘটান।


মেজর সাব্বিরের সাক্ষ্য অনুযায়ী, পাথরঘাটার চরদুয়ানি এলাকার বলেশ্বর নদীতে একটি ফিশিং ট্রলারে করে চারজনকে নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের মুখ ও পুরো শরীর ঢেকে রাখা হয়েছিল। পরে তাদের গুলি করে হত্যা করা হয়। এরপর পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে মরদেহগুলো নদীতে ফেলে দেওয়া হয় বলে তিনি ট্রাইব্যুনালকে জানান।


একই কায়দায় আরও একজনকে হত্যা করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল বলেও সাক্ষ্য দেন মেজর সাব্বির। তিনি জানান, ২০১১ সালে জিয়াউল আহসানের কথিত ‘গলফ অপারেশনে’ জড়িত ট্রলার মাঝিদের একজন আলকাস মাঝিকেও গুম করে হত্যা করা হয়।


গুমের মামলায় এর আগে সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া এবং সেনা ও র‍্যাবের কর্মকর্তারা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মেজর সাব্বিরের সাক্ষ্যগ্রহণের পর মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য নেওয়া হবে। এরপর যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের কথা রয়েছে।


প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে শতাধিক মানুষকে গুম ও হত্যার ঘটনায় তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে। ২০২৪ সালের আগস্টের মাঝামাঝি রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি জাতীয় টেলিযোগাযোগ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের (এনটিএমসি) মহাপরিচালক ছিলেন।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : BanglaDock

কমেন্ট বক্স
টেকনাফে কোস্ট গার্ডের পৃথক অভিযানে ৫৫ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ,

টেকনাফে কোস্ট গার্ডের পৃথক অভিযানে ৫৫ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ,