বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে তিন দিনের নানা আয়োজনে সাজছে কক্সবাজার। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ২৫ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পর্যটন নগরীতে থাকছে ফোক সংগীত, ফায়ার শো, ব্যান্ড সংগীত, মিউজিক্যাল নাইট, শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
এবারের বিশ্ব পর্যটন দিবসের প্রতিপাদ্য ‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’। দিবসটি উপলক্ষে কক্সবাজার বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি ও জেলা প্রশাসন বর্ণাঢ্য আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে।
কক্সবাজার বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সমন্বয়ক ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাসনীম জাহান জানান, ২০২৩ সালের পর এবারই বড় পরিসরে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সাপ্তাহিক ছুটির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ২৫ সেপ্টেম্বর থেকেই আয়োজন শুরু করা হচ্ছে।
২৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার দুপুরের পর থেকে লাবণী পয়েন্টের সৈকতের উন্মুক্ত মঞ্চে ফোক সংগীত, ফায়ার শো ও ব্যান্ড সংগীত পরিবেশিত হবে। ২৬ সেপ্টেম্বর শনিবার থাকবে মিউজিক্যাল নাইট। আর ২৭ সেপ্টেম্বর রোববার বিশ্ব পর্যটন দিবসের মূল আয়োজনে থাকবে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, রাখাইন নৃত্য ও সমাপনী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
তিন দিনের আয়োজন প্রতিদিন বিকেল থেকে এশার নামাজের সময় পর্যন্ত চলবে। পর্যটক ও দর্শনার্থীরা এসব অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারবেন।
এ ছাড়া পর্যটন উৎসবকে ঘিরে উন্মুক্ত মঞ্চের আশপাশে অর্ধশতাধিক স্টল বসানো হবে। সেখানে থাকবে খাদ্য উৎসব, লাইভ কুকিং শো, আচার, শুঁটকি, পিঠাসহ বিভিন্ন পণ্য। পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে হোটেল-মোটেল ও আবাসন ব্যবস্থায় ৫০ শতাংশের বেশি ছাড় দেওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে সৈকতের পর্যটন জোনের বিভিন্ন সড়কে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। এতে ট্যুরিস্ট পুলিশের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা, ঘোড়ার বহর, বিচ বাইকসহ কক্সবাজারের বিভিন্ন ঐতিহ্য তুলে ধরা হবে। পর্যটন শিল্পের বিকাশ ও প্রসারে বিভিন্ন স্লোগানসংবলিত প্ল্যাকার্ড হাতে পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও পর্যটকরাও এতে অংশ নেবেন।
জেলা রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি ও পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানান, কক্সবাজারের পর্যটনকে দেশ-বিদেশে আরও পরিচিত করে তুলতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিভিন্ন অংশীজন যুক্ত হয়েছেন। আয়োজন সফল করতে হোটেল-মোটেল, গেস্টহাউস ও রেস্তোরাঁ মালিকসহ সংশ্লিষ্টরা নিজ উদ্যোগে সহযোগিতা করছেন।
BanglaDock