চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনার জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর প্রকল্পটির বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ও সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।
বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান, চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনার জন্য ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন স্থাপনে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইন ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। প্রয়োজনীয় অর্থায়ন পাওয়া গেলে প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ট্রেনের গড় গতি বাড়ার পাশাপাশি যাতায়াতের সময়ও কমবে।
তিনি আরও জানান, ঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত কর্ডলাইন নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইনের কাজ চলমান রয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রামের রেলপথের দূরত্ব কমবে এবং ট্রেনের গতি বাড়বে।
এ ছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথকে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। টঙ্গী-আখাউড়া এবং লাকসাম-চট্টগ্রাম অংশে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইনের কাজ শেষ হয়েছে। এর মধ্যে লাকসাম-চট্টগ্রাম ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন এবং টঙ্গী-আখাউড়া প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়ন শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে বাংলাদেশ রেলওয়ের যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা ও ট্রেনের গতি বাড়বে।
BanglaDock