আসিয়ান কাপে নিজেদের শেষ ম্যাচে ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯-২ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছে বাংলাদেশ। প্রথমার্ধেই ছয় গোল হজম করা বাংলাদেশ দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও বড় ব্যবধানের হার এড়াতে পারেনি। এই জয়ে ‘এ’ গ্রুপের শীর্ষে থেকে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ইন্দোনেশিয়া।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখলে আধিপত্য ছিল ইন্দোনেশিয়ার। ১১ মিনিটে মিচেল লি বেকারের গোলে এগিয়ে যায় তারা। ২০ মিনিটে আবারও গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন লি বেকার। ৩১ মিনিটে রিজকি রিদো করেন তৃতীয় গোল।
তিন গোল হজমের পর ৩৬ মিনিটে এবারের আসরে নিজেদের প্রথম গোল পায় বাংলাদেশ। বাঁ দিক থেকে সুকির নিচু ক্রসে হেড করে জালে বল পাঠান শাহরিয়ার ইমন। তবে এক মিনিট পরই আবার গোল করে ইন্দোনেশিয়া। লি বেকার পূর্ণ করেন হ্যাটট্রিক। প্রথমার্ধের শেষ দিকে আরও দুই গোল করে ইন্দোনেশিয়া। ফলে বিরতিতে ৬-১ গোলে পিছিয়ে ছিল বাংলাদেশ।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে একাধিক পরিবর্তন এনে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে বাংলাদেশ। প্রায় ৬০ মিনিট পর্যন্ত আর কোনো গোল হজম করেনি তারা। তবে ৬০ মিনিটের পর লুক বিকারির গোলে ইন্দোনেশিয়ার ব্যবধান আরও বাড়ে।
এরপর ফারহান আলীর একটি গোল অফসাইডে বাতিল হয়। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে রাকিব হোসেনের ক্রস থেকে দারুণ প্লেসমেন্টে বাংলাদেশের দ্বিতীয় গোল করেন ফারহান আলী।
ম্যাচের শেষ দিকে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা ও হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। শেষ পর্যন্ত যোগ করা সময়ে কেভিন ডিকস ও লি বেকার আরও দুটি গোল করলে ৯-২ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে ইন্দোনেশিয়া।
বড় ব্যবধানে হারের পর হতাশ হয়ে মাঠ ছাড়েন বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা। ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ অধিনায়ক হামজা চৌধুরীর মধ্যেও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কোচিং স্টাফের সদস্যরা তাকে শান্ত করার চেষ্টা করেন।
এই জয়ে ‘এ’ গ্রুপের শীর্ষে থেকে আসিয়ান কাপের ফাইনালে উঠেছে ইন্দোনেশিয়া।
BanglaDock