`
ঢাকা | বাংলাব্দ
COX'S BAZAR WEATHER

২৫ লাখ টাকার চুক্তিতে ভাড়া করা হয় চার শুটার, লক্ষ্য যুবদল নেতা বাবু

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jul 27, 2026 ইং
২৫ লাখ টাকার চুক্তিতে ভাড়া করা হয় চার শুটার, লক্ষ্য যুবদল নেতা বাবু ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত
ad728

রাজধানীর মিরপুরে যুবদল কর্মী মো. ইউসুফ হত্যা মামলার তদন্তে হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।


সোমবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, কাফরুল থানা যুবদলের সদস্যসচিব হাফিজুল ইসলাম বাবুকে হত্যার উদ্দেশ্যে ২৫ লাখ টাকার চুক্তিতে মাগুরা ও ঝিনাইদহ থেকে চারজন পেশাদার শুটার ভাড়া করা হয়েছিল। তবে পরিকল্পিত হামলায় লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে নিহত হন যুবদল কর্মী মো. ইউসুফ।


ডিবি জানিয়েছে, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন— চঞ্চল, জিহাদ মোল্লা (৩০), জিয়ারুল মোল্লা (৩৯), মাসুম বিল্লাহ (২৮), নাহিদ হাসান (২১), আবির হাওলাদার (২৫), আলী হোসেন (৪৫) এবং শাফিন আহমেদ (২২)।


তদন্তে জানা গেছে, গত ২৩ জুলাই কাফরুল থানার ওপেক্স গার্মেন্টসের দক্ষিণ পাশের লিংক রোডে সশস্ত্র হামলায় ইউসুফ নিহত হন। এ সময় সবজি বিক্রেতা নালাম সরদার ও মনির হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। হামলার পর পালানোর সময় স্থানীয় জনতা অস্ত্রসহ চঞ্চলকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।


ডিবির দাবি, স্থানীয় ময়লার টেন্ডার, ফুটপাতের দোকান, ব্যবসা এবং একটি টিনশেড বাড়ির দখলকে কেন্দ্র করে কাফরুল থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান হাফিজ ওরফে সিএনজি হাফিজের সঙ্গে যুবদল নেতা হাফিজুল ইসলাম বাবুর দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। সেই বিরোধ থেকেই বাবুকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়।


পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২৯ জুন প্রথমবার হত্যার চেষ্টা করা হলেও অস্ত্রে মিসফায়ারের কারণে তা ব্যর্থ হয়। পরে ২২ জুলাই অভিযুক্তরা ঢাকায় এসে মিরপুর-২ এলাকার একটি হোটেলে ওঠেন এবং ২৩ জুলাই রাতে পরিকল্পনা অনুযায়ী হামলা চালান।


ঘটনার রাতে বাবুর অফিসের সামনে অবস্থান নেওয়া সন্দেহভাজনদের পরিচয় জানতে চাইলে তারা নিজেদের মিরপুর-১০ এলাকার বাসিন্দা বলে পরিচয় দেয়। পরে তল্লাশির চেষ্টা করলে একজন অস্ত্র বের করে ইউসুফকে গুলি করে। এ সময় এলোপাতাড়ি গুলিতে আরও দুইজন আহত হন।


ডিবি জানিয়েছে, তদন্তে সিএনজি হাফিজকে হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। চুক্তির অর্থের একটি অংশ অগ্রিম দেওয়া হয়েছিল এবং অভিযুক্তদের থাকা-খাওয়ার খরচও বহন করা হয়। এ ঘটনায় একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে এবং বাকি অস্ত্রের উৎস শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।


এ ঘটনায় কাফরুল থানায় হত্যা ও অস্ত্র আইনে পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। হত্যা মামলাটি বর্তমানে ডিবির তদন্তাধীন রয়েছে এবং অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : BanglaDock

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
প্রতিদিন সঠিকভাবে আলু খেলে মিলতে পারে ৮ স্বাস্থ্য উপকারিতা

প্রতিদিন সঠিকভাবে আলু খেলে মিলতে পারে ৮ স্বাস্থ্য উপকারিতা