জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলা শাখার বার্ষিক সাধারণ সভায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে বৈষম্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বক্তারা। একই সঙ্গে আগামী ৪ সেপ্টেম্বর শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার কক্সবাজার শহরের শ্রী শ্রী কৃষ্ণানন্দ ধাম প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তারা বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে কোনো সরকারই সনাতনীদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি। তারা অভিযোগ করেন, কক্সবাজারের আইনশৃঙ্খলা কমিটি, কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামসহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কমিটিগুলোতে সনাতনী প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ফলে তাদের সমস্যাগুলো যথাযথভাবে উপস্থাপনের সুযোগ থাকে না এবং বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকেও তারা বঞ্চিত হচ্ছেন।
সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, যেসব উপজেলা কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে, সেগুলো দ্রুত পুনর্গঠন করে জেলা কমিটির কাছে পাঠাতে হবে।
জেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সভাপতি সাংবাদিক দীপক শর্মা দীপুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক দোলন ধরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় গত বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব উপস্থাপন করেন অর্থ সম্পাদক জয় পাল।
সভায় বক্তব্য দেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি উদয় শংকর পাল মিঠু, সাধারণ সম্পাদক বেন্টু দাশ, জেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি রাজবিহারী দাশ, স্বপন পাল নাজির, সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিত পাল বিশু, জেলা পূজা কমিটির সহসভাপতি বিপুল সেন, দীপক দাশ, সদর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট বাপ্পী শর্মা, সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক বলরাম দাশ অনুপম, পৌর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জনি ধরসহ মহেশখালী ও জেলার বিভিন্ন উপজেলার নেতারা।
সভার শুরুতে কৃষ্ণানন্দ ধাম পরিচালনা পরিষদের অর্থ সম্পাদক সেবক পাল পবিত্র গীতা পাঠ করেন।
BanglaDock